peperonity.net
Welcome, guest. You are not logged in.
Log in or join for free!
 
Stay logged in
Forgot login details?

Login
Stay logged in

For free!
Get started!

Text page


getstory.peperonity.net

[35] ভৌতিক গল্প:[মানুষখেকো গুহা ]

। । মানুষখেকো গুহা । ।
লিখেছেন :আহনাফ সানভি


আমাদের এই বিশ্ব জগতে কত কিছু যে আছে তার কোন হিসাব নেই ।
আশ্চর্য, বিচিত্র, ভয়াবহ, ব্যতিক্রমী, রোমাঞ্চিত নানা ধরনের উপাদানে ভরপুর আমাদের এই পৃথিবী । যার মধ্যে একটি উপাদান আছে ভয়াবহ বাভয় ।
ভয়, শব্দটি শুনলে যেন ভয় হয় । কারও ভয় সাগরে, কারও ভয় পাহাড়ে, কারও ভয় ভূতে ।
আবার আমরা বাঘ, ভাল্লুক, সাপ, কুকুর, বানর ইত্যাদি দেখেও ভয় পাই ।
আবার আমরা প্রচণ্ড ভয় পাই যদি মানুষখেকো কোন জন্তু-জানোয়ারের কথাশুনি ।
যেমন, মানুষখেকো গাছ, মাছ,প্রেতাত্মা ইত্যাদি ।
এত দিন হয়তো আপনারা মানুষখেকো গাছ, মাছ, ভূত, ড্রাকুলা ইত্যাদির কথা শুনেছেন ।
কিন্তু কখনো কি মানুষখেকো গুহার কথা শুনেছেন । হ্যাঁ, অবিশ্বাস্য বাআশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে, আমাদের এই পৃথিবীতে এমনই একটি গুহা আছে যেটি মানুষখেকো গুহা নামে পরিচিত । গুহা কি মানুষ খেতে পারে ?
হয়তো পারে আবার পারে না । কিন্তু আমরা যে গুহার কথা বলছি সেটাতে শুধুমানুষ কেন, কোন জীব ঢুকলেই আর জীবিত বেরিয়ে আসতে পারে না ।
তাহলে এবার জানা যাক সেই ভয়ানক মানুষখেকো গুহাটি সম্পর্কে ।
গ্রিক ভূগোলবিদ স্ট্রাবোর মতে প্রাচীন গ্রিক শহর হিয়ারাপোলিসে ছিল এপোলো দেবতার একটি মন্দির ।
এটি এক সময় নানা কারণে রহস্যময় মন্দির হিসেবে পরিচিতি পায় ।
এই মন্দিরের পাশেই ছিল একটি গুহা । এই গুহাটির বৈশিষ্ট্য ছিল, গুহার ভেতরে কোন জন্তু-জানোয়ার ছুড়ে দিলে তা আর ফিরে আসতনা ।
এমনকি কোন মানুষও যদিএই গুহার প্রবেশ মুখ সামান্যও অতিক্রম করত তাহলে সেও আর ফিরে আসত না ।
তবে আশ্চর্যের ব্যাপার এই যে, পুরোহিতরা এই গুহার ভেতরে নিরাপদে ঢুকতে পারত আবার বের হয়েও আসতে পারত। তবে পুরোহিতরা যখন বেরিয়ে আসত তখন তাদের মুখমণ্ডল ফুলে যেত এবং রক্তাক্ত হয়ে যেত ।
প্রাচীন গ্রিকবাসীর বিশ্বাস ছিল এইগুহাটি হল পরলোকে যাওয়ার পথ এবং সেখানে রাজত্ব করে অপদেবতারা ।
সাধারণ মানুষ বা জীব- জানোয়ারেরা সেখানে গেলে অপদেবতারা তাদের মেরে ফেলে আর দেবতারা গেলে তাদের ঐশ্বরিক ক্ষমতাবলে অপদেবতাদের সঙ্গে লড়াই করে ফিরে আসতে পারে ।
স্ট্রাবো এই তথ্যটি তার পুঁথিতে লিখেছিলেন ২০০০ বছর আগে ।
অবশ্য বর্তমানে আধুনিক বিশ্বের মানুষ ভূত, প্রেত, দেবতা বা অপদেবতা তেমন বিশ্বাস করে না ।
মার্কিন বিজ্ঞানি শেলডন এই ঘটনার ব্যাক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন । তিনি মত প্রকাশ করেছেন, ওই ...
Next part ►


This page:




Help/FAQ | Terms | Imprint
Home People Pictures Videos Sites Blogs Chat
Top
.