peperonity.net
Welcome, guest. You are not logged in.
Log in or join for free!
 
Stay logged in
Forgot login details?

Login
Stay logged in

For free!
Get started!

Text page


new.bangla.choti.peperonity.net

রুমকির মায়ের তুলতুলে ভোঁদা

রুমকিদের এপার্টমেন্টেই সজীব নামে একটা ছেলে থাকতো। ওর সাথে রুমকির খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। বেশ কিছু দিন প্রেম ও করেছিল রুমকির সাথে, কিন্তু ওর কিছু বাজে অভ্যাসের কারণে বেশী দিন টিকে থাকেনি ওদের সম্পর্ক। কারণ ছেলেটা ছিল খুবী কামাতুর স্বভাবের, খুবই মাগীবাজ। আর মে পটানোর সব নিয়ম কাননই ওর রপ্তে ছিল, যার কারণে ওর ইচ্ছে পূরণ হতে বেশী সময় লাগতো না। রুমকির সাথেও ওর অনেক বার ফিজিক্যাল রিলেশন হয়েছে। মেদের গুদেই যেন জগতের সকল শুখ খুজে পায় সজীব। একটা মেকে নিয়ে বেশি দিন আনন্দ ফুর্তি করার অভ্যাস নেই ছেলেটির। ওর বাড়াটা নতুন কোন গুদের স্বাদ পেলেই পুরনো কিছুতে ডুব দিতে চাইতো না। আর এই আট কি নয় ইঞ্ছি সাইজের নৌকার মতো বাড়াটা অনেক নারীকেই আনন্দে ভাসিয়েছে। পণের বছর থেকে শুরু করে চল্লিশ-বেয়াল্লিশ বছরের নারীর গুদে হর হামেশাই ডুকে যেত এই বাড়া। যার জন্য এত কথা ওর শিকার, এবার শোনা যাক ওর শিকারের কথা। ঠিক দুপরে বাইরে প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিলো, পড়ন্ত বিকেলের মতো চার পাশ কালো হয়ে আছে। এই সময়টায় এই বয়সের ছেলেমেরা বৃষ্টিতে ভিজতে খুবই পছন্দ করে। রুমকি বৃষ্টিতে বিজতে ওদের এপার্টমেন্টের ছাদে উঠলো। ছাদটা অনেক বড় আর সিঁড়িকোঠা ঠিক ছাদের মিড পয়েন্টে। রুমকি ছাদে উঠেই দেখে ওদের কাপড় চোপড় বৃষ্টিতে ভিজে একাকার। তার পরের দৃশ দেখে রুমকি থমকে গেল। ছাদের এক কোনায় সজীব ওর মার সাথে চুটিয়ে আড্ডা দিছে আর দুজনেই খুব হাসা হাঁসি করছে। দুজনেই বৃষ্টিতে ভিজে একাকার। আর ওর মা হালকা রঙ্গের পাতলা একটা শাড়ি পরে ছিল, ভিজে ওটা গায়ের সাথে লেগেছিল। সাড়িটা এমন ভাবে দেহের সাথে লেগে ছিল পাছার ভাঁজটাও খুব ভালো করে বুজা যাচ্ছিল, আর সাদা ব্লাউজের ভেতর কালো রঙ্গের ব্রাটা স্পষ্ট দেখাই যাচ্ছিলো। আর বুকের অপর গজিয়ে ওঠা ছয় ইঞ্চি পাহাড় দুটোর কথা না বল্লেও চলবে।


কিছুক্ষণ পর সজীব রুমকির মাকে একটা চুমো দিলো, রুমকির মা হেসে, ফাজিল বলে সজীবকে আস্তে একটা দাক্কা দিলো। সজীবের আর বুজতে বাকী রইলো না তার কোন আপত্তি নেই। সজীব এবার রুমকির মাকে জড়িয়ে ধরে ঠোঁট গুলো কামরে ধরল। কিছুক্ষণ ঠোঁট দুটো চুষে ছেড়ে দিলো। আস্তে একটা চর দিয়ে সজীবকে বল্ল অসব্য, বেশী রকম পেকে গেছে ছেলেটা। পাকামির দেখেছেন কি, বলে সজীব যখন আবার ধরতে গেল ওকে, রুমকির মা একটা দৌর দিলো। সজীব দৌরে গিয়ে সাড়ির আঁচলটা টেনে ...
Next part ►


This page:




Help/FAQ | Terms | Imprint
Home People Pictures Videos Sites Blogs Chat
Top
.